নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টে খালাস, কারাগার থেকে মুক্ত ১০ আসামি

নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টে খালাস, কারাগার থেকে মুক্ত ১০ আসামি

ফেনী প্রতিনিধি : September 14, 2026

ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত নুসরাত জাহান রাফী হত্যা মামলায় হাইকোর্টে খালাস পাওয়া ১০ আসামি বিভিন্ন কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ফেনী, গাজীপুর ও চট্টগ্রামের তিনটি কারাগার থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।

মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে সোনাগাজী পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মাকসুদ আলম ফেনী জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি কারাগার থেকে বের হন। প্রায় সাড়ে সাত বছর পর মুক্তি পেয়ে তিনি স্বজনদের সঙ্গে দেখা করেন। পরে স্বজনরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

এ ছাড়া সোনাগাজী কামিল মাদরাসার ইংরেজি প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মহিউদ্দিন শাকিল, হাফেজ আব্দুল কাদের, মোহাম্মদ শামীম, আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা ও ইমরান হোসেন মামুন গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। নারী আসামি কামরুন্নাহার মণি কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

ফেনী জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. আব্দুল জলিল ও জেলার কাজী মাজহারুল ইসলাম জানান, মাকসুদ আলমের খালাসের আদেশের কপি এবং তাকে মুক্তির নির্দেশনা রোববার রাত ৮টার দিকে কারাগারে পৌঁছে। ওই আদেশের ভিত্তিতে সোমবার তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সোনাগাজী মডেল থানায় নুসরাত জাহান রাফী হত্যা মামলা করেন তার ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান।

ওই বছরের ২৪ অক্টোবর ফেনী জেলা ও দায়রা জজ আদালত মামলার ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরবর্তীতে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ে গত ২৪ আগস্ট অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। একই রায়ে নুর উদ্দিন, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ও উম্মে সুলতানা পপির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয় এবং ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

খালাসপ্রাপ্তদের মুক্তির পর তাদের স্বজনরা ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

Share This